Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

মূলকর্মসূচী:  এই কর্মসূচীর অধীনে তিন প্রকার সমবায় সমিতি আছে।যেমন: কৃষক,বিত্তহীন ও মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি। একই এলাকার  কমপক্ষে ২০ জন স্থায়ী বাসিন্দা (যাদের বয়স ১৮-৪০)নিয়ে সমবায় সমিতি গঠিত হয়। সমবায় নিয়ম মোতাবেক সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।সমিতি গঠনের ৩ মাস পর নিবদ্দন করা হয়। নিবদ্ধনের পর সদস্যদের আর্থসামাগিক উন্নয়নের লক্ষে ঋণ বিতরণ করা হয়।এছাড়া তাদের চাহিদা মোতাবেক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।। এ প্রকল্পে এ পর্যন্ত ৫৬ টি সমিতিতে ১১৬০ জন সদস্য রয়েছে। এ প্রকল্পে শেয়ার জমা ১১.৪৩ লক্ষ, সঞ্চয় জমা ৩৮.০৩ লক্ষ,ঋণ বিতরণ ৬৯২.৭৭ লক্ষ,ঋণ আদায় ৬০৪.০৯ লক্ষ। ঋণ আদায় হার ৮৭%। এ তহবিলের ঋণ সুদের হার ১১%। এ সমিতিতে শুরুতে ৫০০০/- থেকে শুরু করে ২৫০০০/- পর্যমত্ম ঋণ প্রদান করা হয়।

 

মহিলাউন্নয়নঅনুবিভাগ: গ্রামের স্থায়ী পরিবারের গৃহীনি নিয়ে মহিলা সমবায় সমিতি গঠন করা হয়। কমপক্ষ ২০ জন সদস্য নিয়ে সমিতি গঠন করা হয়। বয়স সীমা ১৮-৪০।সমিতির কার্যক্রম সমবায় সমিতির নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ৩ মাস অতিক্রমের পর সার্বিক কার্যক্রম উত্তম হলে নিবদ্ধন দেওয়া হয়। নিবদ্ধনের পর মহিলাদের ঘরে বসে হাঁসমুরগী পালন, কাপড় বোনা, হসত্মশিল্প, সবজি চাষ ইত্যাদি কর্মকান্ডের উপর ঋণ প্রদান করা হয়। এ কর্মসূচীতে ঋণের সুদের হার ১৫% এবং ৫০০০/-হতে ২০০০০/- পর্যমত্ম ঋণ প্রদান করা হয়। এপ্রকল্পে মোট সমিতি ৫৪ টি যার মোট সদস্য সংখ্যা ১৫৮৯ জন। শেয়ার জমা ২৮.১৮ লক্ষ,সঞ্চয় জমা ১২৩.৫৯ লক্ষ টাকা। ঋণ বিতরণ ২১৪২.৯৪ লক্ষ। ঋণ আদায় ১৯১১.৫৬ লক্ষ। ঋণ আদায় হার ৮৯%। সমিতির ম্যানেজারদের উপজেলায় এনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

 

সদাবিকপ্রকল্প:  এ প্রকল্পে একই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দদের ও গরীব পরিবারের মহিলাদের নিয়ে দল গঠন করা হয়। ২০ জন সদস্যা নিয়ে দল গঠন করে সঞ্চয় জমাদানে উদ্ধুদ্ধ করা হয়। দলকে নিবদ্ধন দেওযার পরে ঋণ বিতরন করা হয়।এ প্রকল্পে ঋণ সুদের হার ১১%। এ প্রকল্পে ঋণের সিলিং ৫০০০/- থেকে ২৫০০০/-। এ পর্যমত্ম এরম্নপ দলের সংখ্যা ২১ টি। মোট সদস্য সংখ্যা ৩৩৪ জন। সঞ্চয় জমা ১৩.৯৩ লক্ষ টাকা। ঋণ বিতরণ ১৯৪.৫১ লক্ষ, ঋণ আদায় ১৬৬.৫২ লক্ষ। ঋণ আদায় হার ৮৬%। তহবিল সীমিত হওয়ার কারণে এ প্রকল্প সম্প্রসারন করা যাচ্ছেনা।

 

সমাজউন্নয়নপ্রকল্প: ২০ জন সদস্য নিয়ে দল গঠন করা হয় এবং সহ্চয জমাদানে উদ্বুদ্ধ করা হয়।প্রমিক্ষণ ও ঋণ প্রদান করা হয়। এ প্রকল্পে ঋন সুদের হার ৭.৫%। ঋণের সিলিং ৫০০০/- থেকে ২০০০০/-পর্যমত্ম ঋণ প্রদান করা হয়। এ পর্যমত্ম দলের সংখ্যা ২০ টি । মোট সদস্য সংখ্যা ২৮০ জন।   এ পর্যন্ত সঞ্চয় আদায় ১২.৭৬ লক্ষ এ পর্যন্ত ঋণ বিতরণ ২১০.৪৮ লক্ষ ঋণ আদায় ১৮৫.১১লক্ষ এবং ঋণ আদায় হার ৮৮%। তহবিল সীমিত হওয়ার কারণে বর্তমানে দর গঠন বন্ধ রয়েছে

 

অংশীদারিত্বমূলকপল্লীউন্নয়নপ্রকল্প-   রাংগামাটি সদর উপজেলাধীন জীবতলী ইউনিয়নে বাংলাদেশ পলস্নী উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন পিআরডিপি-২ প্রকল্প বা অংশীদারিত্বমূলক পলস্নী উন্নয়ন প্রকল্প-২ বিগত ২৬/১০/২০১০ ইং খিৃ: থেকে কাজ শুরু করে। এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের লক্ষে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘‘One stop Service Centre”  এবং উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারী ও বেসরকারী সেবা প্রদান নিশ্চিত করা। ২০১০-১১ অর্থবছরে  রাংগামাটি সদর উপজেলার জীবতলী ইউনিয়নে  এবং ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে  মগবান ইউনিয়নে কাজ শুরু করার পর প্রকল্পের মাধ্যমে ইউনিয়সমূহে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মূল ভিত্তি হচ্ছে লিংক বা যোগাযোগ। লিংক মডেল ধারণাকে কেন্দ্র করে প্রকল্পটি সফলভাবে কাজ করছে। লিংকের জন্য মূলত তিনটি কৌশল আছে। গ্রাম কমিটি সভা, ইউনিয়ন সমন্বয় কমিটি সভা  এবং ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট অফিসার এর সংযোগ ভূমিকা। এই তিনটির সংযোগস্থল হচ্ছে ইউনিয়ন সমন্বয় কমিটি সভা  যেখানে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউপি, সরকারী / বেসরকারী কর্মী এবং গ্রামবাসীর একসাথে তথ্য বিনিময় করে গ্রাম উন্নয়নে সহযোগীতা করার একটি ফোরাম। প্রকল্পের কাজ শুরু করার পর থেকে বর্তমানে জীবতলী ইউনিয়ন সমন্বয় কমিটির ২৮ টি সভা এবং মগবান ইউনিয়ন সমন্বয় কমিটির ১১ টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সভাগুলোয় বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাম/গ্রাম কমিটিতে এ পর্যন্ত ৬৪টি ব্যাচে মোট  ১৯২০ জনকে  তাদের চাহিদা ভিত্তিক  বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের  জীবন-জীবিকার মান উন্নয়ন করার প্রচেষ্টাসহ বিভিন্ন স্কীম প্রদান করে গ্রাম উন্নয়নে প্রকল্পটি গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে প্রকল্পের ১৪টি গ্রাম কমিটি রয়েছে্ এই কমিটিগুলো গ্রাম উন্নযনে গুরম্নত্বপূর্ণ ভহমিকা পালন করছে।

               

পল্লীপ্রগতিপ্রকল্প: এ প্রকল্পটি বন্দুকভাঙা ইউনিয়নে পরিচালিত হচ্ছে। মোট ১৬ টি দলে ২৬০ জন সদস্য । তাদের মোট সঞ্চয় জমার পরিমাণ ২.১৮ লক্ষ টাকা। ঋণ বিতরণ ২৭.৮২ লক্ষ। ঋন আদায় ১৬.৯১ লক্ষ। মোট আদায় হার ৬১%।

 

মুক্তিযোদ্ধাপ্রকল্প:    এ প্রকল্পে মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ বিতরণ করা হয়। ঋণ তহবিল ১.৭৫ লক্ষ টাকা। এ পযৃমত্ম ৩ জন মুক্তিযোদ্দাকে ঋন বিতরণ করা হয়েছে।

 

একটিবাড়িএকটিখামারপ্রকল্প:   এ প্রকল্পের আওতায় বালুখালী, মগবান, কুতুকছড়ি ও সাচছড়ি ইউনিয়নে কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ৯ টি ওয়ার্ডে ৯ টি সমিতি গঠন করা  হয় । বর্তমানে মোট সমিতির সংখ্যা ৩৬ টি। সদস্য সংখ্যা ১৭৬৮ জন। প্রথম পর্যায়ে উপকার ভোগীদের মাঝে ১০০ টি গাভী, ৪৮ জনের মাঝে ঢেউটিন ৩০ জন হাসমুরগী, ৯০ জন সবজী বীজ ও ১২০ জনকে চারা বিতরণ করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সদস্যদের সঞ্চয় জমা নিজস্ব মাসিক ২০০/- হলে প্রকল্প হতে ২০০/- বোনাস প্রদান করায় এ পর্যন্ত সঞ্চয় আদায় হয়েছে ৬১.২৭ লক্ষটাকা। প্রকল্প হতে সঞ্চয় অনুদান দেওয়া হয়েছে ৬০.৭১ লক্ষ টাকা। । এ পর্যন্ত ঘূর্ণায়মান ঋণ তহবিল প্রকল্প  হতে ৩৬ টি সমিতিকে ১৭৫৭ টি প্রকল্পে ঋন প্রদান করা হয়েছে।  ২০১৩-২০১৪ অর্থবছর হতে জীবতলী এবং বন্দুকভাঙ্গা  ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে। দুটি  ইউনিয়নে ১৮ টি ওয়ার্ডএ  সমিতি গঠনের জন্য গ্রাম নির্বাচন করা হয়েছে।  উক্ত দুটি ইউনিয়নে ট্যাগ অফিসারও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সমিতির ম্যানেজার/ সভাপতির সাথে যোগাযোগ করে সমিতিতে অমর্ত্মভূক্ত হয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখতে পারেন।

 

অপ্রধান শস্য উৎপাদন,সংরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, ও বাজার জাতকরণ প্রকল্প:-২০১৩-১৪ অর্থবছরে উক্ত প্রকল্প আরাম্ভ করা হয়। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল অপ্রধাণ শস্য যেমন ডাল,সরিষা, মরিচ,পেঁয়াজ,অঁ,রসুন, ভূট্টা ও মিষ্টি আলু উৎপাদনের মাধ্যমে ক্ষেত্র সৃষ্টি ও উৎপাদন বৃদ্ধিও মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটানো এবং দারিদ্র হ্রাসকরণ। এ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যমত্ম ৯টি দল গঠন এবং সদস্য অমত্মভূক্ত হয়েছে ১৮৭ জন। সঞ্চয় আদায় হয়েছে ২৪,০০০/- টাকা। ৪০ জনকে আদা হলুদ ও মরিচ চাষের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। একজন আদর্শ হলুদ চাষীকে একটি প্রদর্শনী খামার প্রদান করা হয়েছে।এ প্রকল্পে একজন মাঠ কর্মী যোগদান করেছে।